এস.এম.শামীম
প্রকাশ : Sep 24, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কয়রায় জমি ও নারিকেল গাছ নিয়ে বিরোধ, পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি: মিজানুর রহমানের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেওয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গিলাবাড়ী এলাকায় জায়গা-জমি ও নারিকেল গাছকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 এ ঘটনায় তাঁর মাথা ও ডান উরুতে দা দিয়ে কোপ দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমানের ভাই মো. আব্দুর রহিম সরদার বাদী হয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে গিলাবাড়ী গ্রামের রফিকুল সরদার, তাঁর ছেলে সবুজ সরদার ও স্ত্রী জোসনা খাতুনকে বিবাদী করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহিম সরদার তাঁর ছোট চাচা সবুর সরদারের নিকট থেকে তাঁর বসতভিটার ওপর থাকা দুটি নারিকেল গাছ কিনে নেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর ওই দুটি গাছ থেকে নারিকেল পাড়েন তিনি। নারিকেল পাড়ার পর বিবাদীরা তাঁকে ও তাঁর মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এর প্রতিবাদ করায় পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের বসতবাড়িতে গিয়ে আব্দুর রহিমের মা রোকেয়া খাতুনকে মারপিট করে ফোলা জখম করেন। এ সময় আব্দুর রহিম ও তাঁর ভাই মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে মাকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে ২ নম্বর বিবাদী সবুজ সরদার মিজানুর রহমানের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। 

এতে তাঁর মাথার মাঝামাঝি অংশে কাটা-রক্তাক্ত জখম হয়। একই সময় তাঁর ডান উরুর হাঁটুর ওপরের অংশেও দা দিয়ে কোপ দিয়ে কাটা-রক্তাক্ত জখম করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া আব্দুর রহিম, তাঁর স্ত্রী রোজিনা আক্তার এবং ভাবী রেহানা খাতুনকেও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে ফোলা জখম করার অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে বিবাদীদের কবল থেকে তাঁদের উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, তিনি যে দুটি নারিকেল গাছ কিনেছেন, সেগুলো বিবাদীদের নয়। নারিকেল গাছকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও অপ্রীতিকর ও শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ বিষয়ে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ রশিদুল আলম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী পক্ষ।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক

1

নতুন বছরের শুরুতেই যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ

2

অবিবেচনাপ্রসূতভাবে ভ্যাটের হার বাড়ানো হয়েছে: দেবপ্রিয়

3

অতীতের রাষ্ট্রপরিচালকেরা দুর্নীতি করে আঙুল ফুলে বটগাছ হয়েছেন

4

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

5

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকে ঢুকলে দেখা যাচ্ছে নতুন বার্তা

6

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ

7

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নে ১৭ সদস্যের কমিট

8

সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন

9

সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য

10

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

11

সাঁতার প্রতিযোগিতার সেরা নাফিসা সিনেমায় নায়িকাও, নায়কের তালি

12

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

13

স্থানীয় সরকার নয়, জাতীয় নির্বাচন আগে চায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল

14

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’

15

এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

16

৫৩ বছর দেশ শাসনকারীরা নতুন আশা দেখাতে পারবে না: চরমোনাই পীর

17

বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার

18

মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্

19

বুবলীকে ‘পিনিক’–এ যেমন দেখা যাবে

20